ডেটা সুরক্ষা

গোপনীয়তা নীতি

রোগীর তথ্য নিয়ে কাজ মানে বাড়তি দায়িত্ব। ডায়েট সলিউশন বিডি কোন তথ্য রাখে, কে তা দেখতে পারে, কীভাবে সুরক্ষিত থাকে এবং আপনার হাতে কী কী নিয়ন্ত্রণ আছে, সবই এখানে সহজ ভাষায় লেখা।

সর্বশেষ সংশোধন: ৫ অক্টোবর ২০২৬
সূচিপত্র
  1. ১এক নজরে
  2. ২আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য
  3. ৩রোগীর রেকর্ড
  4. ৪রোগীর তথ্য কে দেখতে পারে
  5. ৫শেয়ার লিংক ও প্রিন্ট
  6. ৬তথ্য কী কাজে লাগে
  7. ৭তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য যায় কি?
  8. ৮সুরক্ষার ব্যবস্থা
  9. ৯কুকি ও ব্রাউজারে রাখা তথ্য
  10. ১০আপনার নিয়ন্ত্রণ ও অধিকার
  11. ১১কত দিন রাখা হয়
  12. ১২এই নীতি বদলালে
  13. ১৩প্রশ্ন, অনুরোধ বা অভিযোগ

সেকশন ১

এক নজরে

পুরো নীতি পড়ার সময় না থাকলে অন্তত এই কথাগুলো জেনে রাখুন:

  • রোগীর তথ্য শুধু আপনার। অন্য কোনো নিউট্রিশনিস্ট তা দেখতে পান না।
  • বিক্রি নেই, বিজ্ঞাপন নেই। আপনার বা রোগীর তথ্য আমরা কাউকে বিক্রি করি না, বিজ্ঞাপন বা গবেষণার কাজেও লাগাই না।
  • কোনো ট্র্যাকিং নেই। কুকি মাত্র দুটি: লগইন ধরে রাখার একটি, আর আপনার ডিভাইস চেনার একটি (অ্যাকাউন্ট ভাগ ঠেকাতে); বিজ্ঞাপন বা নজরদারির কিছু নেই।
  • নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে। নিজের সব ডেটা যেকোনো সময় একটি ZIP ফাইলে (CSV ফাইল আর ল্যাব রিপোর্টের সংযুক্ত ফাইল) ডাউনলোড করতে পারেন, রোগীর রেকর্ড নিজেই মুছতে পারেন, আর চাইলে পুরো অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন — Account settings পাতা থেকে নিজেই।

সেবা ব্যবহারের নিয়ম আছে ব্যবহারের শর্তাবলি পাতায়, আর পেমেন্টের টাকা কখন ফেরত হয় তা রিফান্ড ও বাতিল নীতিতে।

সেকশন ২

আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য

নিবন্ধন, প্রোফাইল ও পেমেন্টের সময় আপনার সম্পর্কে এই তথ্যগুলো রাখা হয়:

  • পরিচয় ও যোগাযোগ: পুরো নাম, ইউজারনেম, ইমেইল ও মোবাইল নম্বর
  • পেশাগত প্রোফাইল: ডিগ্রি, পদবি, প্রতিষ্ঠান, ছোট পরিচিতি ও ছবি
  • চেম্বার: ঠিকানা, রোগী দেখার দিন ও সময়
  • অ্যাকাউন্টের হিসাব: পাসওয়ার্ডের হ্যাশ, শেষ কবে লগইন করেছেন, কয়টি ডিভাইস বা ব্রাউজারে লগইন আছে আর প্রতিটি শেষ কবে ব্যবহার হয়েছে (সেশন), সাবস্ক্রিপশনের মেয়াদ, পাসওয়ার্ড রিসেট ও তথ্য বদলের অনুরোধ, কোন ইমেইল নোটিশ কবে পাঠানো হয়েছে (অ্যাকাউন্টের নোটিশ, আর অ্যাডমিনের সাইট নোটিশ ইমেইলে গেলে সেটিও), আর ড্যাশবোর্ডের Getting started তালিকার জন্য টিউটোরিয়াল প্রথম কবে খুলেছেন; নিবন্ধনের সময় ব্যবহারের শর্তাবলি ও এই নীতি কবে মেনে নিয়েছেন (সেই শর্তাবলির তারিখসহ), শেষ কবে লগইন করে অ্যাপ ব্যবহার করেছেন (ঘণ্টায় বড়জোর একবার লেখা হয়), অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট স্থগিত করলে কবে করেছেন, আর অ্যাকাউন্ট মোছার অনুরোধ দিলে তার তারিখ ও স্থায়ীভাবে মোছার তারিখ
  • পেমেন্ট: পেমেন্টের মাধ্যম (bKash, Nagad, ব্যাংক ট্রান্সফার বা কার্ড), যে নম্বর বা ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা পাঠিয়েছেন (কার্ডে এটি নেওয়া হয় না), ট্রানজেকশন আইডি বা রেফারেন্স, বেছে নেওয়া প্ল্যান ও ইনভয়েস, আর প্রতিটি পেমেন্ট জমা দেওয়ার সময় শর্তাবলি ও রিফান্ড নীতি মেনে নেওয়ার সময়। কার্ডের নম্বর, PIN বা OTP এই সাইট কখনো চায় না; এগুলো কোনো ঘরে লিখবেন না
  • ভুল লগইনের হিসাব: পরপর কতবার ভুল পাসওয়ার্ড দেওয়া হলো, কোন ইউজারনেম বা ইমেইল দিয়ে চেষ্টা হলো এবং নেটওয়ার্কের IP ঠিকানা। এটি শুধু লক-আউট চালানোর জন্য; সঠিক পাসওয়ার্ডে লগইন করলে এই হিসাব মুছে যায় (ভুল চেষ্টার ঘটনাটি অবশ্য নিচের কার্যক্রমের লগে থেকে যায়)।
  • ডিভাইসের তালিকা: কোন কোন ডিভাইস বা ব্রাউজার থেকে অ্যাকাউন্টে লগইন হয়েছে — ব্রাউজার ও অপারেটিং সিস্টেমের নাম (যেমন “Chrome on Windows”), শেষবার যে নেটওয়ার্ক থেকে ব্যবহার হয়েছে তার IP ঠিকানা, প্রথম ও শেষ ব্যবহারের সময়, ইমেইলের কোডে ডিভাইসটি নিশ্চিত করা হয়েছে কি না, আর সেখান থেকে লগআউট করা হয়েছে কি না। ডিভাইসটি চেনা হয় নিচের কুকি অংশে বলা একটি এলোমেলো কোড দিয়ে; সার্ভারে সেটির কেবল একটি হ্যাশ থাকে। এই তালিকা দিয়ে একসাথে কয়টি ডিভাইসে লগইন আছে গোনা হয় আর My profile পাতায় তা দেখানো হয়; অ্যাডমিনও কোনো অ্যাকাউন্টের তালিকাটি দেখতে পান।
  • লগইন কোড: নতুন ডিভাইসে ইমেইল কোড চালু থাকলে যে ৬ অঙ্কের কোড ইমেইলে পাঠানো হয়, সার্ভারে তার কেবল একটি হ্যাশ রাখা হয় (কোডটি নয়), সঙ্গে কখন পাঠানো হলো, কোন ডিভাইস ও IP ঠিকানার জন্য, আর কতবার ভুল কোড দেওয়া হলো। কোড ১০ মিনিট পর অচল হয়ে যায়।
  • অস্বাভাবিক ব্যবহারের হিসাব: অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা লাইব্রেরি (খাবার, ওষুধ, রেসিপি, ওষুধ-খাবারের তালিকা, টেমপ্লেট, খাদ্য বিনিময় তালিকা ও টেস্টের তালিকা) কতবার খোলা হলো, তার শুধু সংখ্যা — শেষ ১০ মিনিটের আর শেষ ২৪ ঘণ্টার; কী খোঁজা বা দেখা হলো, তা নয়। নিজের রোগী, চার্ট, প্রেসক্রিপশন বা অন্য কোনো রেকর্ড এতে গোনা হয় না। সীমা পেরিয়ে অ্যাকাউন্ট সাময়িক থামলে কখন থামল, কোন সীমা (১০ মিনিট বা ২৪ ঘণ্টার), তখন পর্যন্ত কতবার খোলা হয়েছিল আর কখন পর্যন্ত বিরতি — এটুকু লিখে রাখা হয় (অ্যাডমিন আগেই বিরতি তুলে দিলে কে ও কখন, তা-ও)।
  • কার্যক্রমের লগ (activity log): অ্যাকাউন্টে কে কখন কী করেছেন তার একটি তালিকা — লগইন ও লগআউট, ভুল পাসওয়ার্ডে বা আটকে থাকা অবস্থায় লগইনের চেষ্টা (কোনো অ্যাকাউন্টের ইউজারনেম বা ইমেইল দিয়ে চেষ্টা হলে কোনটি দিয়ে হলো, তা রাখা হয়; কোনো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে না মেলা নাম বা পাসওয়ার্ড রাখা হয় না), পাসওয়ার্ড, ইমেইল ও ফোন বদল, অন্য ডিভাইস থেকে লগআউট, Download my data, অ্যাকাউন্ট মোছার অনুরোধ, রোগী, ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন বা ল্যাব রিপোর্ট মোছা, রোগীর লিংক নবায়ন, বন্ধ বা আবার চালু করা ও নতুন ঠিকানা দেওয়া, টেমপ্লেট সেভ, নাম বদল ও মোছা, নিবন্ধন আর সাবস্ক্রিপশনের পেমেন্ট জমা, আর অ্যাডমিনের প্রতিটি কাজ (যেমন অ্যাকাউন্ট অনুমোদন বা স্থগিত, মেয়াদ বদল, পেমেন্ট অনুমোদন বা ফিরিয়ে দেওয়া, অস্থায়ী পাসওয়ার্ড)। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে তার সময় আর যে নেটওয়ার্ক থেকে অনুরোধটি এসেছে তার IP ঠিকানা রাখা হয়। রোগীর নাম, ফোন নম্বর বা স্বাস্থ্যের কোনো তথ্য এতে থাকে না — রোগী, চার্ট, প্রেসক্রিপশন ও ল্যাব রিপোর্টের শুধু নম্বর থাকে, আর কোনো রেকর্ড মুছলে সেটির তারিখ, রোগী মুছলে তাঁর রেকর্ডের সংখ্যা; পাসওয়ার্ড, রিসেট লিংক বা কোনো গোপন কোডও কখনো লেখা হয় না। নতুন ডিভাইসের জন্য লগইন কোড পাঠানো, ঠিক বা ভুল কোড দেওয়া, ডিভাইসের সীমার কারণে বা আলাদা করে কোনো ডিভাইস থেকে লগআউট, আর অস্বাভাবিক ব্যবহারের জন্য সাময়িক বিরতি ও স্বয়ংক্রিয় স্থগিতও এতে থাকে (কোডটি কখনো নয়)। এই লগ কেবল নিরাপত্তা আর সাপোর্টের কাজে লাগে; কত দিন রাখা হয়, তা কত দিন রাখা হয় অংশে।
প্রোফাইলের নাম, ডিগ্রি, পদবি, প্রতিষ্ঠান, চেম্বারের ঠিকানা ও সময়, ফোন, ইমেইল ও ছবি আপনার ডায়েট চার্ট ও প্রেসক্রিপশনের লেটারহেডে ছাপা হয়। অর্থাৎ রোগী যে কপি হাতে পান, তাতে এগুলো থাকে।

সেকশন ৩

রোগীর রেকর্ড

রোগীর যে তথ্য থাকে, তার সবটাই আপনি নিজে লেখেন বা আপলোড করেন; রোগীর কাছ থেকে আমরা সরাসরি কিছু নিই না। একজন রোগীর রেকর্ডে থাকতে পারে:

  • পরিচিতি: নাম, বয়স, লিঙ্গ, বাবা-মায়ের নাম, মোবাইল নম্বর, শিক্ষা, পেশা, বৈবাহিক অবস্থা, বসবাস (শহর, মফস্বল বা গ্রাম) ও মাসিক আয়
  • প্রতি ভিজিটের মাপ: ওজন, উচ্চতা, কোমর ও নিতম্বের মাপ, মাথার পরিধি, MUAC, শরীরের চর্বির হার, রক্তচাপ ও পালস
  • স্বাস্থ্যের ইতিহাস: বর্তমান ও আগের রোগ, কোন রোগে ওষুধ চলছে, পরিবারে NCD-র ইতিহাস (রোগী নিজে না জানলে সেটিও)
  • খাওয়া ও হজম: দিনের খাবারের ধরন, প্রিয় খাবার, পানি পানের পরিমাণ, খাদ্যে অ্যালার্জি ও অসহিষ্ণুতা, Bristol স্কেলে মলের ধরন
  • প্রশ্নমালার স্কোর: ঘুমের মানের জন্য PSQI এবং মানসিক চাপের জন্য PSS-10 — প্রতিটি ভিজিটের তারিখ ধরে, Bristol টাইপসহ, যাতে সময়ের সঙ্গে বদল দেখা যায়
  • ল্যাব রিপোর্ট: পরীক্ষার ফলাফল এবং আপনার আপলোড করা PDF বা ছবি
  • আপনার কাজ: ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন, সুপারিশ করা পরীক্ষা, পরামর্শ ও নোট

রোগীর সম্মতি নিয়ে, চিকিৎসার জন্য যতটুকু দরকার ততটুকু তথ্য লেখা আপনার পেশাগত দায়িত্ব; সেই তথ্য নিরাপদে রাখার দায়িত্ব আমাদের। রোগীর ফর্মের প্রথম অংশে সম্মতির একটি ঘর আছে (ঐচ্ছিক): টিক দিলে কোন তারিখে সম্মতি নথিভুক্ত হলো তা রেকর্ডে জমা থাকে আর রোগীর পাতায় দেখা যায়; টিক তুলে দিলে তারিখটি মুছে যায়।

সেকশন ৪

রোগীর তথ্য কে দেখতে পারে

আমাদের প্রধান অঙ্গীকার: আপনার রোগীদের তথ্য দেখতে পারেন কেবল আপনি। অন্য কোনো নিউট্রিশনিস্টের অ্যাকাউন্ট থেকে তা খোলা যায় না।

প্রতিটি রোগীর রেকর্ড, আর তার ভিজিট, ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন ও ল্যাব রিপোর্ট, ডেটাবেসে আপনার অ্যাকাউন্টের আইডির সাথে যুক্ত। কোনো পেজ বা ফাইল খোলার সময় সার্ভার প্রতিবার মিলিয়ে দেখে রেকর্ডটি আপনার কি না; না মিললে পেজটিই পাওয়া যায় না।

অ্যাডমিন কী দেখেন

অ্যাডমিন প্যানেলে রোগীর কোনো তালিকা বা বিবরণ নেই; সেখানে শুধু সংখ্যা দেখা যায়, যেমন কতজন রোগী, কতটি ডায়েট চার্ট ও প্রেসক্রিপশন। অ্যাডমিনের Activity log পাতাতেও রোগীর নাম থাকে না, থাকে শুধু নম্বর (যেমন কোন নম্বরের রোগীর রেকর্ড কবে মোছা হলো)। ব্যাকআপ, রক্ষণাবেক্ষণ বা আপনার অনুরোধে কোনো সমস্যা খুঁজে দেখার প্রয়োজনে অ্যাডমিনের সীমিত প্রবেশাধিকার আছে, এবং তা কেবল ওই কাজেই ব্যবহার হয়। যেমন ব্যাকআপের জন্য অ্যাডমিন পুরো ডেটাবেসের একটি কপি আর সব ল্যাব রিপোর্টের ফাইল একটি ZIP-এ ডাউনলোড করতে পারেন।

সেকশন ৬

তথ্য কী কাজে লাগে

আপনার ও রোগীর তথ্য কেবল এই কাজগুলোতে ব্যবহার হয়:

  • লগইন যাচাই করা এবং অ্যাকাউন্ট সচল রাখা
  • BMI, BMR, ক্যালরি ও ম্যাক্রোর হিসাব করা; ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন, প্রিন্ট ও PDF তৈরি করা
  • ভিজিট ধরে অগ্রগতির চার্ট আর শিশুদের গ্রোথ চার্ট আঁকা
  • সাবস্ক্রিপশনের মেয়াদ গোনা, পেমেন্ট যাচাই ও ইনভয়েস তৈরি
  • পাসওয়ার্ড রিসেটের লিংক বা অস্থায়ী পাসওয়ার্ড পাঠানো
  • সাইটে ইমেইল পাঠানো চালু থাকলে অ্যাকাউন্টের নোটিশ ইমেইল করা: অ্যাকাউন্ট অনুমোদন, পেমেন্ট অনুমোদন বা ফিরিয়ে দেওয়া, আর মেয়াদ শেষের ৭ দিন ও ১ দিন আগে মনে করানো (অনুমোদনের ইমেইলটি মেয়াদের শেষ ৭ দিনের মধ্যে গেলে ৭ দিনেরটি বাদ যায়, কারণ তাতেই শেষের তারিখ থাকে) — প্রতিটি একবারই
  • সাইটে ইমেইল চালু থাকলে অ্যাডমিনের সাইট নোটিশ (যেমন এই নীতির বদল, নতুন ফিচার বা ছাড়ের খবর) সক্রিয় নিউট্রিশনিস্টদের একবার ইমেইল করা
  • সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যাকআপ ও নিরাপত্তা
  • আপনি সাহায্য চাইলে সমস্যার কারণ খুঁজে বের করা
  • একটি অ্যাকাউন্ট একজনই ব্যবহার করছেন কি না, আর লাইব্রেরি একসাথে নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে কি না দেখা: ডিভাইসের সীমা, নতুন ডিভাইসে ইমেইল কোড আর অস্বাভাবিক ব্যবহারের হিসাব দিয়ে (ব্যবহারের শর্তাবলি)
  • কার্যক্রমের লগ দিয়ে অচেনা লগইন বা ভুল করে হওয়া কোনো কাজ ধরা, আর সাপোর্টের সময় কোন কাজ কবে হয়েছিল তা মিলিয়ে দেখা। অ্যাডমিন লগটি দেখেন Activity log পাতায়; আপনি নিজের লগইন ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখেন Account settings পাতার Recent account activity কার্ডে, অন্য কারও IP ঠিকানা ছাড়া

বিজ্ঞাপন, গবেষণা, মার্কেটিং বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক কাজে রোগীর তথ্য কখনো ব্যবহার করা হয় না।

সেকশন ৭

তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য যায় কি?

না। আপনার বা আপনার রোগীর তথ্য আমরা বিক্রি করি না, ভাড়া দিই না, অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে বিনিময়ও করি না। কেবল নিচের তিন অবস্থায় তথ্য বাইরে যেতে পারে:

  • আইন মানতে: বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বা আদালতের আদেশে যতটুকু চাওয়া হয়, ঠিক ততটুকু
  • সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান: হোস্টিং, ইমেইল পাঠানো বা অন্য কারিগরি সেবার জন্য একান্ত যতটুকু দরকার, কঠোর গোপনীয়তার শর্তে
  • আপনার অনুমতিতে: আপনি নিজে স্পষ্ট করে বললে

রোগীকে আপনি যে শেয়ার লিংক পাঠান, সেটি আপনার নিজের সিদ্ধান্ত; ওপরের তালিকার আওতায় পড়ে না। WhatsApp বোতাম চাপলে একটি wa.me ঠিকানা খোলে, আর সেই ঠিকানার ভেতরেই থাকে রোগীর মোবাইল নম্বর (রেকর্ডে থাকলে) ও তৈরি করা বার্তাটি — রোগীর নাম, আপনার নাম, আর লিংক বা সাক্ষাতের তারিখসহ। তাই বোতাম চাপার সঙ্গে সঙ্গেই এই তথ্যটুকু WhatsApp-এর কাছে পৌঁছে যায়। রোগীর কাছে বার্তাটি যায় কেবল তখন, যখন আপনি WhatsApp-এ পাঠানোর বোতাম চাপেন। আপনি বোতাম না চাপলে এই সাইট নিজে থেকে WhatsApp-কে কোনো তথ্য পাঠায় না।

আপনার দিক থেকে সাবধানতা: ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সহকারী বা অন্য কারও সাথে ভাগ করবেন না। কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে সন্দেহ হলে এখনই My profile থেকে পাসওয়ার্ড বদলান — এতে অন্য সব ডিভাইস থেকে অ্যাকাউন্টটি লগআউট হয়ে যায় — এবং আমাদের জানান।

সেকশন ৮

সুরক্ষার ব্যবস্থা

  • পাসওয়ার্ড: আসল পাসওয়ার্ড কোথাও রাখা হয় না, থাকে শুধু scrypt দিয়ে তৈরি একটি হ্যাশ, যা থেকে পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে আনা যায় না। আমরাও আপনার পাসওয়ার্ড জানি না।
  • অনুমানে বাধা: একই নেটওয়ার্ক থেকে কোনো অ্যাকাউন্টে পরপর পাঁচবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে, সেই নেটওয়ার্ক থেকে ওই অ্যাকাউন্টে ১০ মিনিট লগইন বন্ধ থাকে। লগইন করা অবস্থায় যেসব ঘরে বর্তমান পাসওয়ার্ড চাওয়া হয় (My profile-এ পাসওয়ার্ড বা ইমেইল ও ফোন বদলানো), সেখানেও পরপর পাঁচবার ভুল দিলে ওই অ্যাকাউন্টে সেই যাচাই ১০ মিনিট বন্ধ থাকে।
  • রিসেট: রিসেট লিংক একবারই কাজ করে, মেয়াদ ২৪ ঘণ্টা; অ্যাডমিনের দেওয়া অস্থায়ী পাসওয়ার্ড প্রথম লগইনেই বদলাতে হয়।
  • ফর্ম: প্রতিটি ফর্ম জমা দেওয়ার সময় CSRF টোকেন মেলানো হয়, যাতে অন্য কোনো সাইট আপনার হয়ে কিছু পাঠাতে না পারে।
  • ডেটাবেস: সব কুয়েরি প্যারামিটারসহ প্রিপেয়ারড স্টেটমেন্টে চলে, ফলে SQL ইনজেকশনের সুযোগ থাকে না।
  • লগইনের কুকি: HttpOnly ও SameSite চিহ্ন দেওয়া, আর সাইট HTTPS-এ চললে Secure চিহ্নও, তাই কুকিটি তখন কেবল এনক্রিপ্ট করা সংযোগে পাঠানো হয়; পেজের কোনো স্ক্রিপ্ট কুকিটি পড়তে পারে না।
  • সেশন: প্রতিবার লগইনে একেবারে নতুন সেশন তৈরি হয়, তাই লগইনের আগের কোনো সেশন-চিহ্ন পরে কাজে লাগে না। পাসওয়ার্ড বদলালে বা রিসেট করলে অন্য সব ডিভাইস থেকে অ্যাকাউন্টটি লগআউট হয়ে যায়; My profile-এর Log out other devices বোতামেও যেকোনো সময় তা করা যায়। কোনো ডিভাইসে টানা ১২ ঘণ্টা কোনো কাজ না হলে সেখান থেকে নিজে থেকেই লগআউট হয়ে যায়।
  • ডিভাইস: একটি অ্যাকাউন্ট একসাথে কয়টি ডিভাইসে লগইন থাকতে পারবে তার সীমা আছে (এখন সাধারণভাবে ২টি)। My profile-এ নিজের ডিভাইসগুলো দেখে যেকোনোটি লগআউট করা যায়।
  • এনক্রিপশন: পুরো সাইট HTTPS-এ চলে, তাই ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে সব তথ্য এনক্রিপ্ট হয়ে যায়। সাধারণ http ঠিকানায় কেউ এলে নিজে থেকেই https-এ নিয়ে যাওয়া হয়, আর ব্রাউজারকেও বলে রাখা হয় পরের বার https-ই খুলতে (HSTS)।
  • ল্যাব রিপোর্টের ফাইল: পাবলিক ফোল্ডারের বাইরে রাখা হয় এবং শুধু সংশ্লিষ্ট নিউট্রিশনিস্টকেই দেখানো হয়।
  • ব্রাউজারের সুরক্ষা: অন্য সাইট আমাদের পেজ নিজের ভেতরে (ফ্রেমে) বসাতে পারে না; বাইরের লিংকে গেলে আমাদের পেজের ঠিকানা সেখানে পাঠানো হয় না; আপনার লেখা পরামর্শ থেকে ক্ষতিকর কোড বাদ দিয়ে তবেই সংরক্ষণ করা হয়।
  • ব্যাকআপ: ডেটাবেস ও ল্যাব রিপোর্টের ফাইল, দুটোরই প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ নেওয়া হয়। কপিগুলো সার্ভারেই, ডেটাবেসের পাশের একটি আলাদা ফোল্ডারে থাকে, পাবলিক কোনো ঠিকানা থেকে খোলা যায় না; শেষ ৭ দিনের কপি রাখা হয়, পুরোনোগুলো প্রতিদিনের ব্যাকআপের সঙ্গে নিজে থেকে মুছে যায় (নিয়মটি কত দিন রাখা হয় অংশে)।

সেকশন ৯

কুকি ও ব্রাউজারে রাখা তথ্য

আমরা দুটি কুকি ব্যবহার করি। প্রথমটির কাজ আপনাকে লগইন অবস্থায় রাখা এবং ফর্মের নিরাপত্তা-টোকেন মেলানো। লগআউট করলে সেই সেশন মুছে ফেলা হয়; লগআউট না করলে ৩০ দিন পর নিজে থেকেই শেষ হয়, আর টানা ১২ ঘণ্টা ব্যবহার না হলে তার আগেই। পাসওয়ার্ড বদলালে, রিসেট করলে বা Log out other devices চাপলে অন্য ডিভাইসের সেশনও মুছে যায়।

  • বিজ্ঞাপন বা ট্র্যাকিংয়ের কোনো কুকি নেই
  • বাইরের কোনো পরিসংখ্যান বা অ্যানালিটিক্স টুল নেই
  • ফন্ট ও স্ক্রিপ্ট আমাদের নিজের সার্ভার থেকে আসে, তাই পেজ খুললে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে অনুরোধ যায় না
  • ডার্ক বা লাইট মোডের পছন্দ শুধু আপনার ব্রাউজারেই থাকে, সার্ভারে পাঠানো হয় না

লগইন পেজের ব্যানার বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো বাইরের কোনো লিংকে ক্লিক করলে আপনি অন্য সাইটে চলে যান; সেখানে সেই সাইটের নিজস্ব নীতি প্রযোজ্য।

সেকশন ১০

আপনার নিয়ন্ত্রণ ও অধিকার

  • দেখা: আপনার অ্যাকাউন্টে যা আছে, তার সবই অ্যাপের ভেতরে দেখতে পারেন।
  • সংশোধন: প্রোফাইল (ডিগ্রি, পদবি, চেম্বার, ছবি ইত্যাদি) নিজেই বদলাতে পারেন, আর ইমেইল ও ফোন নম্বরও — My profile-এ, বর্তমান পাসওয়ার্ড দিয়ে। নাম ও ইউজারনেম বদলাতে Request a change থেকে অনুরোধ পাঠান; অ্যাডমিন যাচাই করে বদলে দেন।
  • নিজের কপি: Account settings পেজের Download my data বাটনে রোগী, ভিজিট, ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন, ল্যাব রিপোর্টের ফলাফল, ইনভয়েসসহ সব রেকর্ড আলাদা CSV ফাইলে, ল্যাব রিপোর্টের সংযুক্ত ফাইলসহ একটি ZIP-এ যেকোনো সময় নামিয়ে নিতে পারেন — সাবস্ক্রিপশনের মেয়াদ ফুরোলেও।
  • মুছে ফেলা: সাবস্ক্রিপশন চালু থাকা অবস্থায় যেকোনো রোগীকে নিজেই মুছতে পারেন; সাথে তাঁর ভিজিট, ঘুম, মানসিক চাপ ও মলের ধরনের স্কোরের ইতিহাস, ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন ও ল্যাব রিপোর্ট (ফাইলসহ) মুছে যায়। মুছে ফেলা তথ্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপের কপিতে সাধারণত আরও সর্বোচ্চ ৭ দিন থেকে যায়, তারপর সেখান থেকেও মুছে যায় (ব্যতিক্রম কত দিন রাখা হয় অংশে)। পুরো অ্যাকাউন্ট মুছতে চাইলে Account settings পাতার শেষে Delete my account ব্যবহার করুন (তারপর কী হয়, তা কত দিন রাখা হয় অংশে), অথবা আমাদের জানান।
  • অভিযোগ: তথ্যের অপব্যবহার বা কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে সরাসরি জানান; আমরা খতিয়ে দেখব।

সেকশন ১১

কত দিন রাখা হয়

  • সাবস্ক্রিপশন চালু থাকলে: যতদিন ব্যবহার করছেন, সব ডেটা থাকে।
  • মেয়াদ ফুরোলে: কিছুই মোছা হয় না; নবায়ন না করা পর্যন্ত রেকর্ডগুলো শুধু দেখা ও প্রিন্ট করা যায়, নতুন কিছু যোগ বা বদল করা যায় না।
  • দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকলে: টানা ৬ মাস কোনো কার্যক্রম (লগইন বা অ্যাপ ব্যবহার) না থাকলে অ্যাডমিন অ্যাকাউন্টটি স্থগিত (suspend) করতে পারেন; এটি নিজে থেকে হয় না, অ্যাডমিন হাতে করেন। স্থগিত অ্যাকাউন্টের ডেটা স্থগিত হওয়ার দিন থেকে ১ বছর রেখে দেওয়া হয় — আপনি নিজে মুছতে না বললে এর আগে মোছা হয় না; তারপর অ্যাডমিন তা মুছে ফেলতে পারেন। এর মধ্যে যেকোনো সময় ফোন করে অ্যাকাউন্ট আবার চালু করাতে পারেন।
  • নিজে অ্যাকাউন্ট মুছলে: Account settings পাতার Delete my account-এ বর্তমান পাসওয়ার্ড ও ইউজারনেম দিয়ে নিশ্চিত করলে সঙ্গে সঙ্গে সব ডিভাইস থেকে লগআউট হয়ে যায়, লগইন বন্ধ হয়, আর রোগীর শেয়ার লিংকগুলো আর খোলে না। ৩০ দিন পর অ্যাকাউন্ট ও তার সব ডেটা — প্রোফাইল ও তার ছবি, রোগী, ভিজিট, ডায়েট চার্ট, প্রেসক্রিপশন, ল্যাব রিপোর্ট (সংযুক্ত ফাইলসহ), ইনভয়েস, পেমেন্টের অনুরোধ আর নিজের ডায়েট চার্ট ও প্রেসক্রিপশনের টেমপ্লেট — স্থায়ীভাবে মুছে যায় (+ New দিয়ে আপনার যোগ করা খাবার ও ওষুধ অ্যাকাউন্টের অংশ নয়; সেগুলো অ্যাপের খাবার ও ওষুধের তালিকায় থেকে যায়); তার আগে সাপোর্টে ফোন করে মোছা বাতিল করানো যায়। স্থায়ীভাবে মোছার পরও ব্যাকআপের কপিতে তা সাধারণত আরও সর্বোচ্চ ৭ দিন থেকে যায় (নিচের ব্যাকআপের অংশ দেখুন)।
  • মুছে ফেলার অনুরোধ এলে: সাপোর্টে ফোন বা ইমেইল করে অনুরোধ জানালে অনুরোধ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আপনার সব ব্যক্তিগত তথ্য ও রোগীর রেকর্ড মুছে ফেলা হয়। অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট মুছলে রোগী, চার্ট, প্রেসক্রিপশন, ল্যাব রিপোর্ট ও ইনভয়েস একসাথে স্থায়ীভাবে মুছে যায়, অ্যাপ থেকে আর ফেরানো যায় না। তাই আগে Download my data দিয়ে নিজের কপি রেখে দিন।
  • ব্যাকআপের কপি: প্রতিদিনের স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপের শেষ ৭ দিনের কপি রাখা হয়। সার্ভার চালু থাকলে প্রতিটি ব্যাকআপের সঙ্গে এর চেয়ে পুরোনো কপি মুছে যায়, তাই কোনো রেকর্ড বা পুরো অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পরও তা সাধারণত সর্বোচ্চ ৭ দিন ব্যাকআপে থেকে যায়, তারপর সেখান থেকেও মুছে যায়। দুটি ব্যতিক্রম: সার্ভার বন্ধ থাকলে কোনো কপি মোছে না, চালু হওয়ার পর পরের ব্যাকআপের সঙ্গে মোছে; আর কয়েক দিন ধরে নতুন ব্যাকআপ নেওয়া না গেলে সবচেয়ে নতুন পূর্ণ কপিটি পরের সফল ব্যাকআপ পর্যন্ত রেখে দেওয়া হয়, যাতে অন্তত একটি কপি সবসময় থাকে। অ্যাডমিন হাতে ডাউনলোড করে যে কপি আলাদা করে রাখেন, সেটি এই হিসাবের বাইরে।
  • কার্যক্রমের লগ: লগের প্রতিটি ঘটনা, সময় ও IP ঠিকানাসহ, ১২ মাস রাখা হয়; তারপর প্রতিদিনের স্বয়ংক্রিয় কাজে নিজে থেকে মুছে যায় (ব্যাকআপের কপিতে আরও সর্বোচ্চ ৭ দিন থাকে, ওপরের নিয়মে)। কোনো অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে মুছে গেলে তার ঘটনাগুলো ওই ১২ মাস পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত থেকে যায়, তবে সেই অ্যাকাউন্টের নাম, ইউজারনেম, ইমেইল, ফোন ও IP ঠিকানা আর ঘটনার খুঁটিনাটি মুছে দিয়ে: থাকে শুধু “Deleted account #নম্বর”, আর কোন কাজ কবে হয়েছিল (লগইন ব্যর্থ হলে তার কারণও, যেমন ভুল পাসওয়ার্ড)।
  • ডিভাইস, কোড ও ব্যবহারের হিসাব: ডিভাইসের তালিকা অ্যাকাউন্ট থাকা পর্যন্ত থাকে; কোনো ডিভাইস ৪০০ দিন ব্যবহার না হলে তালিকা থেকে নিজে থেকে মুছে যায়। লগইন কোডের হ্যাশ ১০ মিনিটে অচল হয় এবং প্রায় এক দিন পর মুছে যায়। লাইব্রেরি খোলার চলমান গোনা থাকে শুধু সার্ভারের মেমরিতে, শেষ ২৪ ঘণ্টার বেশি নয় — সার্ভার বন্ধ হলে মুছে যায়; সীমা পেরিয়ে বিরতি হলে তখনকার সংখ্যা, কোন সীমা আর কখন পর্যন্ত বিরতি — শুধু এটুকুর রেকর্ড ১২ মাস রাখা হয় (কার্যক্রমের লগেও), আর অ্যাডমিনকে পাঠানো সতর্কবার্তার ইমেইলেও সংখ্যাটি থাকে। অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে মুছে গেলে এগুলোও সঙ্গে সঙ্গে মুছে যায় (ব্যাকআপের কপিতে আরও সর্বোচ্চ ৭ দিন, ওপরের নিয়মে)।
  • আইনের প্রয়োজনে: আইনগত কারণে কোনো রেকর্ড নির্দিষ্ট সময় রাখতে হলে, শুধু সেটুকুই ততদিন রাখা হয়।

সেকশন ১২

এই নীতি বদলালে

এই নীতিতে কোনো বদল এলে সব সক্রিয় নিউট্রিশনিস্টকে জানিয়ে দেওয়া হবে (সাইটে ইমেইল চালু থাকলে ইমেইলে) এবং লগইন পেজে — চাইলে অ্যাপের ড্যাশবোর্ডেও — একটি নোটিশ থাকবে। শেষ কবে সংশোধন হয়েছে, তা এই পেজের শিরোনামের নিচে সবসময় লেখা থাকে।

সেকশন ১৩

প্রশ্ন, অনুরোধ বা অভিযোগ

এই নীতি, আপনার ডেটা বা কোনো অনুরোধ (যেমন পুরো অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা, বা মোছার অনুরোধ বাতিল করা) নিয়ে কথা বলতে চাইলে যোগাযোগ করুন:

ডায়েট সলিউশন বিডি

শনিবার – বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা – রাত ৮টা

ফোন করুন